পোস্টগুলি

2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তুরস্কের কে এই ফতুল্লা গুলেন??? বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

ছবি
নি র্বাচিত এরদোগান সরকারের বিরুদ্ধে বারবার ক্যু প্রচেষ্টাকারী নেপথ্য ব্যাক্তি ফেতুল্লা গুলেন। কিন্তু কে তিনি? কী তার পরিচয়? তুরস্কে কেন তিনি এতটাই বিতর্কিত ভূমিকায়? জানুন সব অজানা অধ্যায়! বাংলাদেশের প্রভাবশালী শিক্ষার্থী ম্যাগাজিন ছাত্রসংবাদে প্রকাশিত ‘ ছদ্মবেশী তুরস্কের ফেতুল্লা গুলেন জানা অজানা কিছু কথা ’ লেখাটি এই ব্লগের পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করা হল আজ। বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় আমি লক্ষ্য করেছিলাম মূলত না জানার কারণে ফেতুল্লা গুলেনকে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের একজন সেবক হিসেবেই সবাই মনে করতো। এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে ইসলামপন্থীদের ফেতুল্লা গুলেনের পলিসির আলোকে কাজ করার পরামর্শ দিতেও শুনেছি এবং তার পক্ষে অনেকে লেখালেখিও হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে প্রাথমিক জীবনে ইসলামের কারণে জনপ্রিয়তা অর্জনকারী এই ব্যক্তিই সময়ের ব্যবধানে ইহুদি এবং পশ্চিমাদের এজেন্ট হিসেবে গোটা দুনিয়ায় মুসলমানদের স্বার্থের বিপরীতে কাজ করতে এতটুকুও দ্বিধা করেনি। ফেতুল্লা গুলেন ১৯৪১ সালের ২৭ এপ্রিল তুরস্কের এরজুরুম নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি কুরআন শিক্ষা শুরু করেন। এরপর তিনি ১৯৪৬ সালে প্রাথমিক বিদ্...

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ কোথায়???

ছবি
খবরটি যদি সত্য হয়, তাহলে তা কত বেশী ভয়ঙ্কর এবং বিপদজনক তা বুঝার মত মাথা ঘুমিয়ে পড়া এ জাতির আছে কিনা আমি জানি না। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর চাকুরী বিজ্ঞপ্তির কথা বলছিলাম [ http://goo.gl/z0KBsI ] ভারতের সরকারী চাকরী ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে কর্মসূত্র ( http://www.karmakshetra.org/ ) নামের ওয়েবসাইটে। এর আগেভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকদের সরকার পুলিশে নিয়োগ দেয়ার কথা আমরা শুনেছি।। রিপোর্টখানা কেউ না দেখে থাকলে এই লিঙ্কে দেখতে পাবেন-  https://www.youtube.com/watch?v=7NvH_PCM04c  ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ সংগ্রহ করে এ নিয়োগ দেয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সময় মিছিলে অপেন ফায়ার ও রাতের আঁধারে ক্রসফায়ারের সাথে ভারতীয় বাহীনির প্রকাশ্য জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। জি, এখন সেনাবাহীনি। বিজ্ঞপ্তিটা দেখে মনে হচ্ছে, এটি শুধু ভারতীয় লোক (এবং নিশ্চয় হিন্দুদের) নিয়োগ দেয়ার জন্যই প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ নাগরিক হওয়াসহ কোন প্রকারের ডকুমেন্টের দরকার নেই। শুধু অনলাইনে বা মোবাইল এসএমএস’ই যথেষ্ঠ। এটিই যে এভাবে প্...

যুক্তরাষ্ট্র আমাকে তাড়িয়ে দিলে কী হবে, আমার বাংলাদেশ তো আছে : মোহাম্মদ আলী

ছবি
কিংবদন্তি বিশ্ব বরেণ্য মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী প্রেসিডেন্ট জিয়ার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আসেন। তখনকার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আতিথিয়তা সংবর্ধনায় মুগ্ধ হয় বিখ্যাত মোহাম্মদ আলী বলেছিলেন, রূপময় বাংলাদেশের রূপ দর্শনে বিমোহিত আমি- ‘স্বর্গে যেতে চাইলে বাংলাদেশে ঘুরে আসুন!‘যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সাথে তিক্ততার জের ধরে তিনি বলেছিলেন- ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাকে তাড়িয়ে দিলে কী হয়েছে, বাংলাদেশ তো আছে!’ মোহাম্মদ আলী পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছুটে গিয়েছিলেন বক্সিয়ের টানে। তেমনি করে একদিন তিনি চলে এসেছিলেন এই বাংলার মাটিতে। ১৯৭৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশে এসেছিলো রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমন্ত্রণে এবং তাকে বাংলাদেশের সম্মানসূচক নাগরিকত্বও দেওয়া হয়েছিলো। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই বিশ্ব বিখ্যাত বক্সারের হাতে তুলে দেন বাংলাদেশের পাসপোর্ট। মোহাম্মদ আলী বলেছিলেন, ভিয়েতনামের মানুষের সঙ্গে আমার কোনো ঝগড়া নেই। শুধু সাদা চামড়ার মানুষের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য ১০ হাজার মাইল দূরের কোনো দেশে গিয়ে মানুষের ওপর অত্যাচার করা, খুন করা, বোমা ফেলা এই কাজে আমি যুক্ত হব না। পৃথ...

পুলিশে নিয়গেই যেখানে দুর্নিতি ও অবক্ষয়। নিরাপত্তার প্রশ্ন আজ কোথায়??? কারা এই নিয়োগ প্রাপ্তরা?

ছবি
বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে পুলিশে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে গণহারে । যাদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে তাদের কাউকেই চিনেন না সেই সব এলাকার স্থানীয় লোকজন। চেনেন না, স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, এলাকার বয়স্করা লোকজন ।  এমনই একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট করছে যমুনা টিভি । সেখানে দেখা যাচ্ছে ঢাকার কয়েকটি উপজেলা যেমন দোহার, ধামরাই বেশ কিছু যুবক সম্প্রতি পুলিশে নিয়োগ পেয়েছেন। কিন্তু তারা ঐ এলাকার বাসিন্দা নন । এলাকার কেউই তাদের চিনেনও না । এমনকি তাদের দেয়া সব ঠিকানাই ভুয়া ।  টিভির রিপোর্টে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে এদের ভাষাও কেউ বুঝতে পারেননি । একই সময় পুলিশের চাকরীর জন্য লাইনে দাঁড়ানো এক যুবকের ভাষ্য মতে, সেই অপরিচিত ব্যক্তিদের আচরণ রহস্যজনক। এমনকি তারা ভালো ভাবে বাংলাও বলতে পারেন না ( ভিডিওর ৫ মিনিট থেকে দেখুন) !  তাহলে স্বাভাবিক প্রশ্ন হচ্ছে, এরা কারা? পরিচয় গোপন করে এক জেলার লোকজন আরেক জেলার বলে পচিয়ন দিচ্ছে কেন? এভাবে কোন বাংলাদেশীর চাকরী নেয়ার দরকার হয়না । অসাধু পন্থায় নিয়োগ পেতে স্থানীয় ঠিকানাইবা ভুয়া দেখাতে হবে কেন?  তাহলে কি সাম্প্রতিককালে ব্যাপক হারে বিরোধী ...

ভারতীয়দের হাতে পাকিস্থানী পতাকা।

ছবি
ঢাকার মোহাম্মদপুর। এখন বহু বিভক্ত হয়ে ধানমন্ডি, আদাবর ইত্যাদি থানারও জন্ম দিয়েছে। ভারতে, বিশেষত ভারত নিয়ন্ত্রিত বাংলায় যেসব মুসলিম নির্যাতিত-নিপীড়িত হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে আসতেন তাদেরকে মুহাজির (হিজরতকারী) মর্যাদা দিয়ে পাকিস্তান সরকার বসবাস করার জন্য মোহাম্মদপুর এলাকাটি বরাদ্দ দেয়। এলাকার নামকরণ করা হয় ইসলামের সর্বশেষ প্রোফেট মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামানুসারে। দেশ ছেড়ে আসা উদ্বাস্তুদের সাথে আমাদের বন্ধন ছিল ইসলামের, সঙ্গতভাবেই এলাকার নামকরনও হওয়া উচিত ইসলামেরই তাতপর্যবাহী কিছুর নামানুসারে। সামরিক জান্তা আইয়ুব খান মোহাম্মাদপুরে ঢোকার মূল প্রবেশদ্বারের নামকরণ করেন নিজের নামে, আইয়ুব গেট। পরবর্তীতে বাংলাদেশ কায়েম হলে আইয়ুব গেটের নাম পালটিয়ে '৬৯ গন আন্দোলনে আত্মোতসর্গকারী আসাদের নাম প্রতিস্থাপিত করে আসাদ গেট করা হয়। পূর্ব পাকিস্তানের আশপাশজুড়ে যখনই মুসলিমরা নির্যাতিত হয়েছে, হিন্দুদের আগ্রাসনের মুখে পড়েছে, জমিজমা দখল করা হয়েছে, সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে কিংবা গোহত্যার দায়ে পরিবারশুদ্ধো লোপাট করে দেয়ার মত আশঙ্কা তৈরী হয়েছে তখন নির্যাতিত মান...

চেষ্টা।

ছবি
মানুষ ইচ্ছে করলেই নিজেকে নিজে চালাতে পারে, শুধু দরকার নিজের ইচ্ছার। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে মানুষ চায় না নিজের ইচ্ছাকে দমিয়ে রেখে সামনে এগিয়ে যেতে। কেউ হয়ত অনেক বেশি খাদক, সে ইচ্ছে করলেই খাওয়াটা নিজের কন্ট্রলে আনতে পারে, আবার কেউ বা আমার মত খাবারের প্রতি অনিহাগ্রস্থ। সে ইচ্ছে করলেই পারে একটু বেশি খাওয়া দাওয়া করতে। কিন্তু আমরা সেটা করি না। সব কিছুই ডিপেন্ড করে মানুষের চেষ্টার উপর। আপনি চেষ্টা করুন দেখবেন তার ফলাফল ধনাত্মকভাবেই পাবেন। আমি কথাগুলো নিজেকেই বললাম। নাজমুস সাকিব

অনয়ন্ত্রিত সময়।

ছবি
সময় খুব দ্রূত কেটে যাচ্ছে। কোনো কিছু দিয়েই একে কোনো ভাবে আটকিয়ে রাখতে পারছি না। যদি সময় গুলিকে আটকে রাখতে পারতাম......!
ছবি
ঢাকার রাস্তায় হেটে চলা বাসে উঠার চেয়ে ঢের ভালো।
ছবি
আসসালামু আলাইকুম।  অনেক পুরোনো একটি লিখা, আবারো শেয়ার করলাম। এক শিকারী একবার শিকারে গিয়ে ছিলো,  তো শিকার থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে গেলো। সে কোনো শিকার্‌ই পেলোনা।  রাতে জঙ্গল থেকে বের হতেও পারছে না।  তাই একটা গাছের নিচে রাত কাটাবে বলে ঠিক করলো।  ওই গাছে থাকত একটা হনুমান।  সে শিকারি কে বললো, হে শিকারী মানুষ তুমি নিচে থাকলে একটু পর বাঘ এসে তোমাকে খেয়ে ফেলবে, তারচেয়ে বরং তুমি গাছে উঠে আসো আর অর্ধেক রাত তুমি আমার কোলে  মাথা রেখে গাছের ডালে শুয়ে ঘুমায়ো আর বাকি অর্ধেক রাত আমি তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো। শিকারী রাজি হয়ে গাছে উঠে ঘুমালো... তার কিছুক্ষন পরে বাঘ এলো। বাঘটি হনুমানকে ডেকে বললো, হনুমান তুই ও জানোয়ার আমিও জানোয়ার তোকে আমি কিছু করবো না। তুই মানুষটাকে নীচে ফেলে দে, আমি খেয়ে চলে যাই। তখন হনুমানটি বললো.... না আমি মানুষটিকে কথা দিয়েছি, আমি ওকে দেখে রাখবো.... তখন বাগটি রেগে মেগে চলে গেলো। তারপর মধ্য রাত। হনুমান দেকে তোলে মানুষ কে, মানুষের কোলে হনুমান মাথা রেখে ঘুমায়..... রাতের শেষ প্রহরে বাঘটিও শিকার না পেয়ে ক্লান্ত হয়ে ফিরে যাচ্ছিলো.... ত...

০১

ছবি
আসসালামু আলাইকুম। ব্লগ ভিজিটের জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।