গুজব আজকাল আমাদের চারিপাশে অনেক বেশি সহ্য করা লাগছে! এর কারণ যেমন অনেক আছে! এর ক্ষতিও অনেক আছে! আসুন আজ এই গুজবের কিছু ঘটনার দিকে নজর দেই! ১। ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তে চাদপুরে গুজব ছড়ায় যে ডাকাত পড়েছে১ গ্রাম বাসিরা সারা রাত জেগে পাহারা দেয়!পরে দেখা যায় ব্যাপারটা গুজব! এখানে ক্লিক করে দেখে নিন সেদিনের প্রথম আলোর রিপোর্ট। ২। গুজব ছড়ায়ে অনেকে নিজের ফায়দা লুটতে চায়! যেমন মাওলানা সাঈদী কে চাদে দেখা গেছে বলে গুজব ছড়ানো হলো একবার! আর আজো সে কারনে সাঈদী ভক্তদের কথা শুনতে হয় অপর পক্ষের কাছে! কারই বা সার্থ বাড়লো এতে তা কে জানে! ৩। গুজব বন্ধ করতে বলে ইনজেকশন বের করেছে এক দল!! এতাও আবার গুজব কিনা কে জানে!! লিঙ্ক এখানে । ৪। যে জন্যে এই লিখা সেটা হলো ইদানিং blue whale নামক এক গেইম নিয়ে অনেক বেশি মাতামাতি হচ্ছে! কেউ কেউ এই গুজব ছড়াচ্ছেন যে ফোন অন রাখলেই গেইম একা একা ইনিস্টাল হবে, জোর করে এই গেম খেলাবে!!! এগুলা সহ আরো কত কি! আমাদের বাসার নিচ তলায় এক বাচ্চা থাকে! তার বয়স ৪ বছর বা ৫ বছর হবে! সে আজ আমাকে গেমস খেলতে দেখে এই ঘটনা শোনাচ্ছে...
রমজানের ভুল ধারণা - ১ [রোজা রেখে রক্তদান প্রসঙ্গে] রমজানের সময় মুসলিম নারী-পুরুষ সকলেই চায় আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন। একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার চেষ্টা করে তাদের চলা-ফেরা, আচার-ব্যবহার সহ জীবনের যে কোন পদক্ষেপে। সকলেরই আশা থাকে এই রহমতের মাস থেকে বাড়তি কিছু কামিয়ে নেয়া। তাই অনেক সময় অনেক স্বাভাবিক কাজের ব্যাপারেও সন্দেহ উঁকি দেয় মনে যে “রোজা রেখে এটা করা যায় কি?” তেমনই একটা সন্দেহ হচ্ছে “রোজা রেখে কি রক্তদান করা যায়?” এই নিয়ে আজকের লেখা... শুরুতেই ইসলামের একটা মৌলিক ও সাধারণ সূত্র বলি। তা হচ্ছে “যা নিষিদ্ধ, হারাম বা অবৈধ নয় তা-ই জায়েজ”। অর্থাৎ যুগের পরিক্রমায় এমন কোন ব্যাপার সামনে আসল যেটা সম্পর্কে ইসলামে সরাসরি কিছু বলা নাই আবার আপাত দৃষ্টিতে ব্যাপারটিকে মানবজাতির জন্য ক্ষতিকরও মনে হচ্ছে না তাহলে ধরে নেয়া যায় যে ব্যাপারটি জায়েজ হবে। যেমন বলতে পারি মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। যদিও এর দ্বারা ক্ষতির আশংকা আছে বা এরও খারাপ দিক আছে তবে ব্যক্তি চাইলে খারাপটাকে এড়াতে পারেন। নবী (সাঃ) এর সময়ে রক্তদানের সুযোগ বা concept ছিল না। তাই এ ব্যাপারে সরাসরি কোন কোরআন-হাদীসে...
খবরটি যদি সত্য হয়, তাহলে তা কত বেশী ভয়ঙ্কর এবং বিপদজনক তা বুঝার মত মাথা ঘুমিয়ে পড়া এ জাতির আছে কিনা আমি জানি না। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর চাকুরী বিজ্ঞপ্তির কথা বলছিলাম [ http://goo.gl/z0KBsI ] ভারতের সরকারী চাকরী ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে কর্মসূত্র ( http://www.karmakshetra.org/ ) নামের ওয়েবসাইটে। এর আগেভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকদের সরকার পুলিশে নিয়োগ দেয়ার কথা আমরা শুনেছি।। রিপোর্টখানা কেউ না দেখে থাকলে এই লিঙ্কে দেখতে পাবেন- https://www.youtube.com/watch?v=7NvH_PCM04c ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ সংগ্রহ করে এ নিয়োগ দেয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সময় মিছিলে অপেন ফায়ার ও রাতের আঁধারে ক্রসফায়ারের সাথে ভারতীয় বাহীনির প্রকাশ্য জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। জি, এখন সেনাবাহীনি। বিজ্ঞপ্তিটা দেখে মনে হচ্ছে, এটি শুধু ভারতীয় লোক (এবং নিশ্চয় হিন্দুদের) নিয়োগ দেয়ার জন্যই প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ নাগরিক হওয়াসহ কোন প্রকারের ডকুমেন্টের দরকার নেই। শুধু অনলাইনে বা মোবাইল এসএমএস’ই যথেষ্ঠ। এটিই যে এভাবে প্...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন