নি র্বাচিত এরদোগান সরকারের বিরুদ্ধে বারবার ক্যু প্রচেষ্টাকারী নেপথ্য ব্যাক্তি ফেতুল্লা গুলেন। কিন্তু কে তিনি? কী তার পরিচয়? তুরস্কে কেন তিনি এতটাই বিতর্কিত ভূমিকায়? জানুন সব অজানা অধ্যায়! বাংলাদেশের প্রভাবশালী শিক্ষার্থী ম্যাগাজিন ছাত্রসংবাদে প্রকাশিত ‘ ছদ্মবেশী তুরস্কের ফেতুল্লা গুলেন জানা অজানা কিছু কথা ’ লেখাটি এই ব্লগের পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করা হল আজ। বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় আমি লক্ষ্য করেছিলাম মূলত না জানার কারণে ফেতুল্লা গুলেনকে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের একজন সেবক হিসেবেই সবাই মনে করতো। এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে ইসলামপন্থীদের ফেতুল্লা গুলেনের পলিসির আলোকে কাজ করার পরামর্শ দিতেও শুনেছি এবং তার পক্ষে অনেকে লেখালেখিও হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে প্রাথমিক জীবনে ইসলামের কারণে জনপ্রিয়তা অর্জনকারী এই ব্যক্তিই সময়ের ব্যবধানে ইহুদি এবং পশ্চিমাদের এজেন্ট হিসেবে গোটা দুনিয়ায় মুসলমানদের স্বার্থের বিপরীতে কাজ করতে এতটুকুও দ্বিধা করেনি। ফেতুল্লা গুলেন ১৯৪১ সালের ২৭ এপ্রিল তুরস্কের এরজুরুম নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি কুরআন শিক্ষা শুরু করেন। এরপর তিনি ১৯৪৬ সালে প্রাথমিক বিদ্...
গুজব আজকাল আমাদের চারিপাশে অনেক বেশি সহ্য করা লাগছে! এর কারণ যেমন অনেক আছে! এর ক্ষতিও অনেক আছে! আসুন আজ এই গুজবের কিছু ঘটনার দিকে নজর দেই! ১। ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তে চাদপুরে গুজব ছড়ায় যে ডাকাত পড়েছে১ গ্রাম বাসিরা সারা রাত জেগে পাহারা দেয়!পরে দেখা যায় ব্যাপারটা গুজব! এখানে ক্লিক করে দেখে নিন সেদিনের প্রথম আলোর রিপোর্ট। ২। গুজব ছড়ায়ে অনেকে নিজের ফায়দা লুটতে চায়! যেমন মাওলানা সাঈদী কে চাদে দেখা গেছে বলে গুজব ছড়ানো হলো একবার! আর আজো সে কারনে সাঈদী ভক্তদের কথা শুনতে হয় অপর পক্ষের কাছে! কারই বা সার্থ বাড়লো এতে তা কে জানে! ৩। গুজব বন্ধ করতে বলে ইনজেকশন বের করেছে এক দল!! এতাও আবার গুজব কিনা কে জানে!! লিঙ্ক এখানে । ৪। যে জন্যে এই লিখা সেটা হলো ইদানিং blue whale নামক এক গেইম নিয়ে অনেক বেশি মাতামাতি হচ্ছে! কেউ কেউ এই গুজব ছড়াচ্ছেন যে ফোন অন রাখলেই গেইম একা একা ইনিস্টাল হবে, জোর করে এই গেম খেলাবে!!! এগুলা সহ আরো কত কি! আমাদের বাসার নিচ তলায় এক বাচ্চা থাকে! তার বয়স ৪ বছর বা ৫ বছর হবে! সে আজ আমাকে গেমস খেলতে দেখে এই ঘটনা শোনাচ্ছে...
রমজানের ভুল ধারণা - ১ [রোজা রেখে রক্তদান প্রসঙ্গে] রমজানের সময় মুসলিম নারী-পুরুষ সকলেই চায় আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন। একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার চেষ্টা করে তাদের চলা-ফেরা, আচার-ব্যবহার সহ জীবনের যে কোন পদক্ষেপে। সকলেরই আশা থাকে এই রহমতের মাস থেকে বাড়তি কিছু কামিয়ে নেয়া। তাই অনেক সময় অনেক স্বাভাবিক কাজের ব্যাপারেও সন্দেহ উঁকি দেয় মনে যে “রোজা রেখে এটা করা যায় কি?” তেমনই একটা সন্দেহ হচ্ছে “রোজা রেখে কি রক্তদান করা যায়?” এই নিয়ে আজকের লেখা... শুরুতেই ইসলামের একটা মৌলিক ও সাধারণ সূত্র বলি। তা হচ্ছে “যা নিষিদ্ধ, হারাম বা অবৈধ নয় তা-ই জায়েজ”। অর্থাৎ যুগের পরিক্রমায় এমন কোন ব্যাপার সামনে আসল যেটা সম্পর্কে ইসলামে সরাসরি কিছু বলা নাই আবার আপাত দৃষ্টিতে ব্যাপারটিকে মানবজাতির জন্য ক্ষতিকরও মনে হচ্ছে না তাহলে ধরে নেয়া যায় যে ব্যাপারটি জায়েজ হবে। যেমন বলতে পারি মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। যদিও এর দ্বারা ক্ষতির আশংকা আছে বা এরও খারাপ দিক আছে তবে ব্যক্তি চাইলে খারাপটাকে এড়াতে পারেন। নবী (সাঃ) এর সময়ে রক্তদানের সুযোগ বা concept ছিল না। তাই এ ব্যাপারে সরাসরি কোন কোরআন-হাদীসে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন